নিহত আবদুল মান্নান ওই গ্রামের হাফেজ বজলুর রহমান বাড়ির নূর আহমেদের ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও নিহতের স্বজনদের ভাষ্য, প্রায় নয় মাস আগে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে আবদুল মান্নানের সঙ্গে প্রতিবেশী মোজাম্মেল হকের ঝগড়া হয়। এরপর থেকেই দুজনের মধ্যে বিরোধ চলছিল। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় স্থানীয় বাজারে পুরোনো বিষয় নিয়ে আবারও তাঁদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নিলে স্থানীয়রা দুজনকে শান্ত করেন।
পরে এশার নামাজ শেষে রাতে বাড়ি ফিরছিলেন আবদুল মান্নান। এ সময় পথে তাঁর ঘাড়সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপানো হয়। চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে মান্নান তাঁদের জানান, অন্ধকারে ওত পেতে থাকা মোজাম্মেল হক তাঁকে কুপিয়ে পালিয়ে গেছেন।
গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাঁকে প্রথমে রাউজানের পাহাড়তলীর একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
রাউজান-রাঙ্গুনিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন জানান, মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। অভিযুক্ত মোজাম্মেল হককে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।
এদিকে ঘটনার পর থেকে মোজাম্মেল হক পলাতক রয়েছেন। তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
