কারা সূত্রে জানা গেছে, মহিলা হাজতি নং-৩৮০/২৬ বৃষ্টি খাতুনকে (১৯) উন্নত চিকিৎসার জন্য ঝিনাইদহ থেকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উদ্দেশে অ্যাম্বুলেন্সযোগে নেওয়া হচ্ছিল। পথে রাত আনুমানিক ৮টা ৪০ মিনিটে অ্যাম্বুলেন্সটি যশোরের চুরামনকাটি এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ তার প্রসববেদনা তীব্র আকার ধারণ করে। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। একপর্যায়ে চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সেই একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দেন বৃষ্টি খাতুন।
নবজাতকের জন্মের খবর পেয়ে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে মা ও শিশুর প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সহযোগিতার ব্যবস্থা করে। নবজাতকের জন্য জামাকাপড়, মশারি, বিছানাপত্র, তোয়ালে, ন্যাপকিন, ডায়পার, অলিভ অয়েলসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ করা হয়।
এ ছাড়া মা ও নবজাতককে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। নবজাতকের আগমনের আনন্দে উপস্থিত সবার মাঝে মিষ্টিও বিতরণ করা হয়।
যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবিদ আহমেদ জানান, কারা মহাপরিদর্শকের নির্দেশনা অনুযায়ী মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে মা ও নবজাতকের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা নিশ্চিত করা হয়েছে। বর্তমানে মা ও শিশুটি সুস্থ রয়েছেন বলেও জানান তিনি।
কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নবজাতকের সুস্থ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনায় প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত থাকবে। মা ও শিশুর প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী সময়েও মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করা হবে।
