রোববার (৫ জুলাই) ঢাকার সেবানিবাসে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে জনসভা ও রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে বিপুল জনসমাগমের মধ্যে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ ক্ষেত্রে সরকারপ্রধানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক চলাচল ও নাগরিক স্বাচ্ছন্দ্য বজায় রাখার দিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে।
বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তার জীবনের সবচেয়ে বেদনাদায়ক স্মৃতি হিসেবে ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের ঘটনা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, ওই সময় দায়িত্ব পালনরত প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের কয়েকজন সদস্যও শহীদ হন। তাদের আত্মত্যাগ রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের নিরাপত্তায় দায়িত্ববোধ, আনুগত্য ও আত্মোৎসর্গের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পিজিআরের ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাহিনীর সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তা ও সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাই গার্ডসের লক্ষ্য’—এই আদর্শকে সামনে রেখে পিজিআরের সদস্যরা পেশাদারিত্ব, সাহস, কর্তব্যনিষ্ঠা ও দেশপ্রেমের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
