গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা ওই নারীকে উদ্ধার করে নেত্রকোনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত নারী একজন প্রবাসীর স্ত্রী। অভিযুক্ত বাবুল মিয়া তাঁর কাছে আমগাছের লাকড়ি বিক্রি করতেন। লাকড়ির পাওনা টাকা পরিশোধ করতে রোববার রাতে বাবুলের বাড়িতে যান ওই নারী।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, ওই সময় তাঁকে একা পেয়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন বাবুল। একপর্যায়ে তাঁর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করা হয় বলে অভিযোগ।
এ সময় আশপাশের লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে এগিয়ে এলে বাবুল ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই নারীকে আহত অবস্থায় দেখতে পায়। তখনও তাঁর শ্বাসপ্রশ্বাস চলছিল। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
শ্যামগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক হারুন অর রশিদ জানান, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত বাবুল মিয়া পলাতক রয়েছেন। তাঁর মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। তাঁকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল আল মামুন।
ঘটনার প্রকৃত কারণ ও হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে তদন্ত করছে পুলিশ।
