তিনি জানান, ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে ভোটার তালিকা হালনাগাদ এবং ভোটকেন্দ্র নির্ধারণের কাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের প্যানেল প্রস্তুতের কাজ চলছে। আগামী সপ্তাহে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠকে বসবে নির্বাচন কমিশন।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।
তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি এগিয়ে চলছে। এরই অংশ হিসেবে ভোটার তালিকা হালনাগাদ ও ভোটকেন্দ্র নির্ধারণের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। এখন নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের জন্য প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের প্যানেল তৈরির কাজ চলছে।
নির্বাচন কমিশনার আরও জানান, সহিংসতামুক্ত ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক দল, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হবে। নির্বাচনের আগে এসব অংশীজনের মতামত নেওয়ার পাশাপাশি মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করবে কমিশন।
ইউপি নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও ভোটগ্রহণের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। বিশেষ করে ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা এবং দায়িত্ব পালনকারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বডি ওর্ন ক্যামেরার সংখ্যা বাড়ানো হবে। এর মাধ্যমে ভোটকেন্দ্রের পরিস্থিতি আরও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ এবং অনিয়মের অভিযোগ যাচাই করা সম্ভব হবে বলে মনে করছে কমিশন।
এর আগে জামায়াতের পক্ষ থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়ার দাবি জানানো হয়। তবে এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের অবস্থান তুলে ধরে আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, শিক্ষকদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা শিক্ষাঙ্গনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার ক্ষেত্রে অন্তরায় হতে পারে বলে মনে করে কমিশন।
এদিকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল চলতি মাসের মধ্যেই ঘোষণা করা হবে বলে ইসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। আগামী সপ্তাহের পর্যালোচনা বৈঠকের পর নির্বাচনের প্রস্তুতি ও তফসিল ঘোষণার বিষয়ে আরও বিস্তারিত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
